ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি অন্তত চারজন খেলোয়াড়ের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। খুলনা দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায়  যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ পালিত । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! খন্ড খন্ডভাবে নয়; একযোগে  ‘শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ’ চাই  আ’মলের তাৎপর্য (৪) প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ১৮৭ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সংবর্ধনা প্রদান করেছে নাসিরনগর কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন সংবিধানে বহুল আলোচিত গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলো। আবুল কাসেম ফজলুল হক: বিরল মানবিকতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততার প্রতীক নাসিরনগরে এম এ হান্নান সড়কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন দাবিকৃত চাঁদার টাকা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াতে শুরু করে- সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন ইউএনও রূপগঞ্জ

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা! কৃতজ্ঞতা নিন, জাতীয়করণ দিন।

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫ ১২৩০ বার পড়া হয়েছে

আবিষ্কারকের কৃতজ্ঞতায় ভরপুর একটি কলামে পড়েছিলাম, “আমি যখন বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালাই তখন-ই টমাস আলভা এডিসনকে দেখতে পাই। বীজগণিতের পাতায় পাতায় আল-খোওয়ারিজমিকে খুঁজে পাই। বিমানের উড্ডয়ন দেখ-লেই ‘আব্বাস ইবনে ফিরনাস’ আর ‘রাইট ব্রাদার্স’ এর কথা মনে পড়ে যায়। যখন কম্পিউটারে বসি তখন-ই সম্মান জানাই ‘চ্যার্লস ব্যাবেজ’ এর প্রতি।”

আমার এক ঘনিষ্টজন বলল- “যাদেরকে তুমি কখনো দেখনি তাদের প্রতি কেন সম্মাণ জানাও? কেনইবা বিশ্বাস করো? এমন কেউ ছিল কখনো?” আমি তাকে বললাম- “একটি বাতি অন্ধকার ঘরকে আলোকিত করল, তুমি সে আলোয় সব দেখলে অথচ সেই বাতির স্রষ্টাকে দেখলে না। বাতির আলো তোমার বাহ্যদৃষ্টি দান করেছে ঠিকই কিন্তু সে আলো অন্তর পর্যন্ত পৌঁছেনি।”

আমাদের এডুকেশন সেক্টরে যে সমস্ত শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ বসে আছেন তাঁরা কোননা কোন শিক্ষকের সন্তান বা ছাত্র । তাঁরা শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করেছে কিন্তু সে আলো হৃদয়ে ধারন করেনি।

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ! আপনি যখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোন বাংলাদেশীকে দেখতে পান, যখন কোন বাংলাদেশী বিশ্ব অঙ্গনে স্থান দখল করে, যখন কোন বাংলাদেশী বিশ্বসেরা খেলোয়াড়, প্রগ্রামার, বিজ্ঞানী, গবেষক হয় তখন কি আপনার মান মর্যাদা উজ্জল হয় না? এর মুলে কি এই শিক্ষক সমাজ না? তাহলে আর অবহেলা নয়। যদি এই ৯৭% শিক্ষক সমাজের অবদান থাকে তাহলে একযোগে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনতিবিলম্বে জাতীয়করণ করুন।

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ! লক্ষ লক্ষ শিক্ষক বছরের পর বছর অভুক্ত আছেন। কেউ বিনা বেতনে অবসর নিয়েছেন। কেউ কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা না পেয়ে বিনা চিকিৎসায় ইন্তেকাল করেছেন। কেউ এমপিও ভুক্তি না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শিক্ষকদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে, মানবাধিকারের চরম সীমা লংঘিত হয়েছে। তাই আপনি দক্ষতার সাথে অনতিবিলম্বে শিক্ষক সমাজের চাহিদাগুলি পুরণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।

———————————

ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম

গবেষক ও কলামিস্ট, সিলেট

dr.1979sharif@gmail.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা! কৃতজ্ঞতা নিন, জাতীয়করণ দিন।

আপডেট সময় : ০৩:১৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

আবিষ্কারকের কৃতজ্ঞতায় ভরপুর একটি কলামে পড়েছিলাম, “আমি যখন বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালাই তখন-ই টমাস আলভা এডিসনকে দেখতে পাই। বীজগণিতের পাতায় পাতায় আল-খোওয়ারিজমিকে খুঁজে পাই। বিমানের উড্ডয়ন দেখ-লেই ‘আব্বাস ইবনে ফিরনাস’ আর ‘রাইট ব্রাদার্স’ এর কথা মনে পড়ে যায়। যখন কম্পিউটারে বসি তখন-ই সম্মান জানাই ‘চ্যার্লস ব্যাবেজ’ এর প্রতি।”

আমার এক ঘনিষ্টজন বলল- “যাদেরকে তুমি কখনো দেখনি তাদের প্রতি কেন সম্মাণ জানাও? কেনইবা বিশ্বাস করো? এমন কেউ ছিল কখনো?” আমি তাকে বললাম- “একটি বাতি অন্ধকার ঘরকে আলোকিত করল, তুমি সে আলোয় সব দেখলে অথচ সেই বাতির স্রষ্টাকে দেখলে না। বাতির আলো তোমার বাহ্যদৃষ্টি দান করেছে ঠিকই কিন্তু সে আলো অন্তর পর্যন্ত পৌঁছেনি।”

আমাদের এডুকেশন সেক্টরে যে সমস্ত শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ বসে আছেন তাঁরা কোননা কোন শিক্ষকের সন্তান বা ছাত্র । তাঁরা শিক্ষার আলোয় নিজেকে আলোকিত করেছে কিন্তু সে আলো হৃদয়ে ধারন করেনি।

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ! আপনি যখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোন বাংলাদেশীকে দেখতে পান, যখন কোন বাংলাদেশী বিশ্ব অঙ্গনে স্থান দখল করে, যখন কোন বাংলাদেশী বিশ্বসেরা খেলোয়াড়, প্রগ্রামার, বিজ্ঞানী, গবেষক হয় তখন কি আপনার মান মর্যাদা উজ্জল হয় না? এর মুলে কি এই শিক্ষক সমাজ না? তাহলে আর অবহেলা নয়। যদি এই ৯৭% শিক্ষক সমাজের অবদান থাকে তাহলে একযোগে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনতিবিলম্বে জাতীয়করণ করুন।

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ! লক্ষ লক্ষ শিক্ষক বছরের পর বছর অভুক্ত আছেন। কেউ বিনা বেতনে অবসর নিয়েছেন। কেউ কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা না পেয়ে বিনা চিকিৎসায় ইন্তেকাল করেছেন। কেউ এমপিও ভুক্তি না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শিক্ষকদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে, মানবাধিকারের চরম সীমা লংঘিত হয়েছে। তাই আপনি দক্ষতার সাথে অনতিবিলম্বে শিক্ষক সমাজের চাহিদাগুলি পুরণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী।

———————————

ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম

গবেষক ও কলামিস্ট, সিলেট

dr.1979sharif@gmail.com