ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নপত্রে নেওয়া হবে শিশুদের মেধা বিকাশে সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ প্রথম বিদেশ সফর বিশ্বমানের ও যুগোপযোগী করে শিক্ষাব্যবস্থাকে গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ শেষে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাতে আর্থিক অনুদান প্রদান  তারাব পৌরসভার দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি (PRAP) এর আওতায় রিক্সা-ভ্যান ও ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত SAILOR খেলবে নারায়ণগঞ্জ ইন্টারস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ান রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল প্রি ক্যাডেট একাডেমি এন্ড মডেল হাই স্কুল। রূপগঞ্জকে আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলা হবে- মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু মেসির জাদুকরী এক হ্যাটট্রিক আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয় ৩–০ গোলে। বিচারহীন সংস্কৃতির আরেক বলি- যুবদল নেতা মাসুদ চৌধুরী

গণঅভ্যুত্থানের পর জোর করে পদত্যাগ করানো শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ।

মোঃ রেহান উদ্দীন
  • আপডেট সময় : ০৮:৩২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫ ২৯১ বার পড়া হয়েছে

গণঅভ্যুত্থানের পর জোর করে পদত্যাগ করানো শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ।

গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জোর করে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এতে অনেক শিক্ষকের বেতন বন্ধ হয়ে যায়। এতে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন।

গণঅভ্যুত্থানের পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জোর করে পদত্যাগ করানো অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর সই করা আদেশে বলা হয়, জোরপূর্বক পদত্যাগকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের তদন্ত চলমান থাকলেও তাদের অনেকের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করেছেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, তদন্তপূর্বক অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালু রাখা প্রয়োজন। তাই তাদের নাম ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করে বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশনা দেওয়া হলো।

এছাড়া কোনো কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষ যদি বেতন-ভাতা চালুর ক্ষেত্রে অসহযোগিতা বা বাধা প্রদান করেন, তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

গণঅভ্যুত্থানের পর জোর করে পদত্যাগ করানো শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ।

আপডেট সময় : ০৮:৩২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

গণঅভ্যুত্থানের পর জোর করে পদত্যাগ করানো শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ।

গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জোর করে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকদের পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এতে অনেক শিক্ষকের বেতন বন্ধ হয়ে যায়। এতে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন।

গণঅভ্যুত্থানের পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জোর করে পদত্যাগ করানো অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর সই করা আদেশে বলা হয়, জোরপূর্বক পদত্যাগকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের তদন্ত চলমান থাকলেও তাদের অনেকের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করেছেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, তদন্তপূর্বক অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালু রাখা প্রয়োজন। তাই তাদের নাম ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করে বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশনা দেওয়া হলো।

এছাড়া কোনো কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষ যদি বেতন-ভাতা চালুর ক্ষেত্রে অসহযোগিতা বা বাধা প্রদান করেন, তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।