ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাড়তি নিরাপত্তা ও কঠোর নজরদারিতে আজ সারা দেশে একযোগে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু। নাসিরনগরে জরুরী হাম-রুমেলা ক্যাম্পেইন উদ্বোধন। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভালো মানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেন – মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু ব্রাহ্মণ বাড়িয়ায় কৃষি  প্রণোদনা পেল ২৪৫০ জন কৃষক গোলাকান্দাইল প্রি ক্যাডেট একাডেমি এন্ড মডেল হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রূপগঞ্জে একই বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি নাসিরনগরে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে এম পি কে সংবর্ধনা  নাসিরনগরে অবৈধ মাটি কাটায় দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, ৫ ট্রাক্টর জব্দ  নাসিরনগরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার নতুন নীতিমালা জারি।

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৪২৬ বার পড়া হয়েছে

স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার নতুন নীতিমালা জারি।

স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার নতুন নীতিমালা জারি।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার।

‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার এর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা–২০২৬’ নামে এ নীতিমালা জারি করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নীতিমালাটি আজ থেকেই কার্যকর হবে। এটি দেশের বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

শিক্ষা সচিব রেহেনা পারভীনের সই করা এ নীতিমালায় বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে। এসব শূন্য পদের বিপরীতে অনলাইনের মাধ্যমে বদলির আবেদন আহ্বান করা হবে।

প্রতি বছর সরকার কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষক বা শিক্ষিকারা প্রথম যোগদানের পর চাকরির মেয়াদ দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করতে পারবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে হলে সেখানে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকতে হবে।

Img 1023 (1) Img 1022 (1)Img 1024

একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। বদলির ক্ষেত্রে আবেদনকারী শিক্ষক নিজ জেলার শূন্য পদে আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের যে কোনো জেলার শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে। বিশেষ ক্ষেত্রে যে কোনো জেলা বা স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল সংশ্লিষ্ট জেলায় বদলির আবেদন করার সুযোগও রাখা হয়েছে।

আর একটি শূন্য পদের বিপরীতে একাধিক আবেদন জমা পড়লে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে কয়েকটি বিষয়ের ভিত্তিতে। এসবের মধ্যে রয়েছে—নারী প্রার্থী, দূরত্ব, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল (সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান) এবং জ্যেষ্ঠতা। জ্যেষ্ঠতা গণনা করা হবে সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী।

তবে দূরত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অনুসৃত মডেল অনুসরণ করা হবে। তবে অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যসম্বলিত আবেদন বিবেচনায় নেওয়া হবে না। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রদান প্রমাণিত হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বদলির সুযোগ পাবেন। তবে একই বিষয়ে একজনের বেশি শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। বদলির আবেদনে শিক্ষকরা সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে পারবেন।

বদলির আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্ব থাকবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ওপর। বদলি কার্যক্রম তদারকি করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। বদলির পুরো প্রক্রিয়া নির্ধারিত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে এবং বদলিকৃত শিক্ষকের এমপিও, আর্থিক সুবিধা ও জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

তবে বদলিকে কোনো অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না এবং বদলিকৃত শিক্ষক কোনো ধরনের টিএ/ডিএ ভাতা পাবেন না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে এবং অবমুক্তির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে শিক্ষককে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত বা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

নতুন এ নীতিমালা জারির মাধ্যমে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা–২০২৪’ রহিত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার নতুন নীতিমালা জারি।

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার নতুন নীতিমালা জারি।

স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার নতুন নীতিমালা জারি।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে সরকার।

‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার এর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা–২০২৬’ নামে এ নীতিমালা জারি করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নীতিমালাটি আজ থেকেই কার্যকর হবে। এটি দেশের বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

শিক্ষা সচিব রেহেনা পারভীনের সই করা এ নীতিমালায় বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে। এসব শূন্য পদের বিপরীতে অনলাইনের মাধ্যমে বদলির আবেদন আহ্বান করা হবে।

প্রতি বছর সরকার কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষক বা শিক্ষিকারা প্রথম যোগদানের পর চাকরির মেয়াদ দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করতে পারবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে হলে সেখানে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকতে হবে।

Img 1023 (1) Img 1022 (1)Img 1024

একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। বদলির ক্ষেত্রে আবেদনকারী শিক্ষক নিজ জেলার শূন্য পদে আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের যে কোনো জেলার শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে। বিশেষ ক্ষেত্রে যে কোনো জেলা বা স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল সংশ্লিষ্ট জেলায় বদলির আবেদন করার সুযোগও রাখা হয়েছে।

আর একটি শূন্য পদের বিপরীতে একাধিক আবেদন জমা পড়লে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে কয়েকটি বিষয়ের ভিত্তিতে। এসবের মধ্যে রয়েছে—নারী প্রার্থী, দূরত্ব, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল (সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান) এবং জ্যেষ্ঠতা। জ্যেষ্ঠতা গণনা করা হবে সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী।

তবে দূরত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অনুসৃত মডেল অনুসরণ করা হবে। তবে অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যসম্বলিত আবেদন বিবেচনায় নেওয়া হবে না। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রদান প্রমাণিত হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বদলির সুযোগ পাবেন। তবে একই বিষয়ে একজনের বেশি শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। বদলির আবেদনে শিক্ষকরা সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে পারবেন।

বদলির আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্ব থাকবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ওপর। বদলি কার্যক্রম তদারকি করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। বদলির পুরো প্রক্রিয়া নির্ধারিত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে এবং বদলিকৃত শিক্ষকের এমপিও, আর্থিক সুবিধা ও জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

তবে বদলিকে কোনো অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না এবং বদলিকৃত শিক্ষক কোনো ধরনের টিএ/ডিএ ভাতা পাবেন না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে এবং অবমুক্তির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে শিক্ষককে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত বা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

নতুন এ নীতিমালা জারির মাধ্যমে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা–২০২৪’ রহিত করা হয়েছে।