ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ও প্রবাসীদের ঘুমহীন রাত: স্বদেশচেতনা, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নাসিরনগরে কৃষি কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে যুবক আটক বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিতকরণে অনার্স কোর্সে উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষক নিয়োগ একান্ত জরুরি।  সাংসদ এম এ হান্নান-কে এক গণসংবর্ধনা প্রদান মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরনে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়  ‘প্রতিষ্ঠান প্রধান  নিয়োগ’ একান্তই জরুরি। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি অন্তত চারজন খেলোয়াড়ের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। খুলনা দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায়  যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ পালিত । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! খন্ড খন্ডভাবে নয়; একযোগে  ‘শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ’ চাই  আ’মলের তাৎপর্য (৪) প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

করদাতার  বার্ষিক আয়কর বিবরণী অনলাইনে দেওয়া বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা।

  • আপডেট সময় : ০৪:০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫ ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

MRU/Net

করদাতার  বার্ষিক আয়কর বিবরণী অনলাইনে দেওয়া বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা।

অনলাইনে রিটার্ন জমা করদাতাদের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে বলে মনে করেন অর্থ উপদেষ্টা। তাই সকল করদাতার অনলাইনে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দেওয়া আগামী বছর থেকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বাজেট বক্তৃতায় বলেন, আগামী বছর স্বাভাবিক ব্যক্তিশ্রেণির সব করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এদিকে কোম্পানি করদাতারা যাতে অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারেন, সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বাজেট বক্তৃতায় বলেন তিনি।

গতবছর প্রায় ১৬ লাখ করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমা দিয়েছেন। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের সব সরকারি কর্মকর্তা,  তফসিলি ব্যাংক ও কিছু বড় কোম্পানির কর্মকর্তাদের অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সাধারণ করদাতাদের জন্য অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ আগের মতোই বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা অপরিবর্তিত রেখেছেন। তিনি বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা বাড়েনি। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমছে। এক বছর ধরে গড় মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে আছে। এর মানে হলো, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ গত এক বছরে ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। কিন্তু মজুরির হার এক বছর ধরে ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে আছে। তাঁদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। তবে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৩০ শতাংশ হারে একটি কর স্তর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া স্তরেও পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১ কোটি ১১ লাখ টিআইএনধারী আছেন। চলতি অর্থবছরে প্রায় ৪০ লাখ করদাতা রিটার্ন দিয়েছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

করদাতার  বার্ষিক আয়কর বিবরণী অনলাইনে দেওয়া বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা।

আপডেট সময় : ০৪:০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

MRU/Net

করদাতার  বার্ষিক আয়কর বিবরণী অনলাইনে দেওয়া বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা।

অনলাইনে রিটার্ন জমা করদাতাদের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে বলে মনে করেন অর্থ উপদেষ্টা। তাই সকল করদাতার অনলাইনে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দেওয়া আগামী বছর থেকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বাজেট বক্তৃতায় বলেন, আগামী বছর স্বাভাবিক ব্যক্তিশ্রেণির সব করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এদিকে কোম্পানি করদাতারা যাতে অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারেন, সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বাজেট বক্তৃতায় বলেন তিনি।

গতবছর প্রায় ১৬ লাখ করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমা দিয়েছেন। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের সব সরকারি কর্মকর্তা,  তফসিলি ব্যাংক ও কিছু বড় কোম্পানির কর্মকর্তাদের অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সাধারণ করদাতাদের জন্য অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ আগের মতোই বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা অপরিবর্তিত রেখেছেন। তিনি বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক করমুক্ত আয়সীমা বাড়েনি। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমছে। এক বছর ধরে গড় মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে আছে। এর মানে হলো, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ গত এক বছরে ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। কিন্তু মজুরির হার এক বছর ধরে ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে আছে। তাঁদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। তবে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৩০ শতাংশ হারে একটি কর স্তর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া স্তরেও পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১ কোটি ১১ লাখ টিআইএনধারী আছেন। চলতি অর্থবছরে প্রায় ৪০ লাখ করদাতা রিটার্ন দিয়েছেন।