ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
খুলনা দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায়  যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ পালিত । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! খন্ড খন্ডভাবে নয়; একযোগে  ‘শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ’ চাই  আ’মলের তৎপর্য (৪) প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ১৮৭ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সংবর্ধনা প্রদান করেছে নাসিরনগর কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন সংবিধানে বহুল আলোচিত গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলো। আবুল কাসেম ফজলুল হক: বিরল মানবিকতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততার প্রতীক নাসিরনগরে এম এ হান্নান সড়কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন দাবিকৃত চাঁদার টাকা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াতে শুরু করে- সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন ইউএনও রূপগঞ্জ ১৫ বছর পর পর এনআইডি নবায়ন করতে হবে

আ’মলের তৎপর্য (৪)

ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

আ’মলের তৎপর্য (৪)

নামাজ পরবর্তী দোয়া ও তাসবীহকে আমরা সাধারণত আমল মনে করি। আসলে বিষয়টি এমন নয়। সুরা আছরে বর্ণিত মুমিনের ১টি গুণাবলি হলো : ঈমান আনা ও সৎকর্ম করা। হাদীসে এসেছে কিয়ামতের দিন কোন বনী আদমকে ৫ টি প্রশ্নের উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত এক কদমও নড়তে দেওয়া হবে না, তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘জ্ঞান অনুযায়ী আমল’।  তাহলে আমল শব্দটির তাৎপর্য জানা খুব জরুরী।
আল কুরআনকে আমরা একটি নিছক কিতাব মনে করি। কেউ কেউ এটাকে মৃত মানুষের চল্লিশা বা খতমের জন্য, কেউবা শুধু মুখস্থ করার কিতাব মনে করে। আসলে “এটি বিজ্ঞানময় কুরআন” — ইয়াসিন-২।
কুরআন বলে : ‘তারা কি লক্ষ করে না আকাশের শূন্যগর্ভে নিয়ন্ত্রণাধীন বিহঙ্গের প্রতি? আল্লাহই ওদেরকে স্থির রাখেন। অবশ্যই এতে নিদর্শন আছে মুমিন সম্প্রদায়ের জন্য।’ (নাহল : ৭৯)।
চিন্তাশীলদের দেখা আর সাধারণ দেখা এক নয়। আল্লাহ তার সৃষ্টিকুলের দিকে অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টিতে দেখতে ও চিন্তা ফিকির করতে বলেছেন।
(১) সুরা ফীল রিসার্চ করে আবাবীল পাখির কাঠামো দেখে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে বোমারু বিমান। আমরা অবশ্য তৈরি করেছি ‘ফতোয়ার বোমা’।
(২) পাখির উড্ডয়ন দেখে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে বিমান।
(৩) সাগরের তিমির কাঠামো  দেখে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ।
(৪) বাদুড় পাখি চোখছাড়া রাতে চলাফেরার ক্ষমতা দেখে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে রাডার।
(৫) হাংগরের গঠন কাঠামো দেখে তৈরি হয়েছে আধুনিক সুইমস্যুট যা পানিতে দ্রুতগামী যান।
(৬) মাছরাঙা পাখির আচরণ পর্যবেক্ষণ করে জাপানে তৈরি হয়েছে ‘বুলেট ট্রেন’ যার গতি ঘন্টায় ১০০০+ কি.মি।
(৭) বুয়েটের শিক্ষার্থীরা টিকটিকির গঠন কাঠামো দেখে তৈরি করেছে এমন রোবট যা দেয়ালেও চলাফেরা করতে সক্ষম।
কুরআনের প্রতিটি আয়াত-ই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত।  এই ২/৩টি আয়াত রিসার্চ করে যদি বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন সাধিত করা যায় তাহলে বিশ্ব মানবতার কল্যাণে পুরা কুরআন কতটা ভুমিকা রাখতে পারে???
এই কাজগুলোই আ’মলে সালেহ বা নেককর্ম যা কিয়ামত পর্যন্ত জারী থাকবে এবং দেশ সমাজ, জাতি ও বিশ্ববাসী উপকৃত হবে। সুরা আসরের ব্যাখ্যায় এমনটি বলা হয়েছে।
আমরা ব্যস্ত আছি দল্লিন/জল্লিন, তারাবীহ ১২/৮ রাকাত, টিস্যু/ঢিলা, টুপির আকার, রুমালের কালার আর ঘড়ি ডান/ বাম হাতে বাধতে হবে তাই নিয়ে।
ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম , গবেষক ও কলামিস্ট, সিলেট।  dr.1979sharif@gmail.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

আ’মলের তৎপর্য (৪)

আপডেট সময় : ০৪:৩২:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

আ’মলের তৎপর্য (৪)

নামাজ পরবর্তী দোয়া ও তাসবীহকে আমরা সাধারণত আমল মনে করি। আসলে বিষয়টি এমন নয়। সুরা আছরে বর্ণিত মুমিনের ১টি গুণাবলি হলো : ঈমান আনা ও সৎকর্ম করা। হাদীসে এসেছে কিয়ামতের দিন কোন বনী আদমকে ৫ টি প্রশ্নের উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত এক কদমও নড়তে দেওয়া হবে না, তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘জ্ঞান অনুযায়ী আমল’।  তাহলে আমল শব্দটির তাৎপর্য জানা খুব জরুরী।
আল কুরআনকে আমরা একটি নিছক কিতাব মনে করি। কেউ কেউ এটাকে মৃত মানুষের চল্লিশা বা খতমের জন্য, কেউবা শুধু মুখস্থ করার কিতাব মনে করে। আসলে “এটি বিজ্ঞানময় কুরআন” — ইয়াসিন-২।
কুরআন বলে : ‘তারা কি লক্ষ করে না আকাশের শূন্যগর্ভে নিয়ন্ত্রণাধীন বিহঙ্গের প্রতি? আল্লাহই ওদেরকে স্থির রাখেন। অবশ্যই এতে নিদর্শন আছে মুমিন সম্প্রদায়ের জন্য।’ (নাহল : ৭৯)।
চিন্তাশীলদের দেখা আর সাধারণ দেখা এক নয়। আল্লাহ তার সৃষ্টিকুলের দিকে অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টিতে দেখতে ও চিন্তা ফিকির করতে বলেছেন।
(১) সুরা ফীল রিসার্চ করে আবাবীল পাখির কাঠামো দেখে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে বোমারু বিমান। আমরা অবশ্য তৈরি করেছি ‘ফতোয়ার বোমা’।
(২) পাখির উড্ডয়ন দেখে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে বিমান।
(৩) সাগরের তিমির কাঠামো  দেখে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ।
(৪) বাদুড় পাখি চোখছাড়া রাতে চলাফেরার ক্ষমতা দেখে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে রাডার।
(৫) হাংগরের গঠন কাঠামো দেখে তৈরি হয়েছে আধুনিক সুইমস্যুট যা পানিতে দ্রুতগামী যান।
(৬) মাছরাঙা পাখির আচরণ পর্যবেক্ষণ করে জাপানে তৈরি হয়েছে ‘বুলেট ট্রেন’ যার গতি ঘন্টায় ১০০০+ কি.মি।
(৭) বুয়েটের শিক্ষার্থীরা টিকটিকির গঠন কাঠামো দেখে তৈরি করেছে এমন রোবট যা দেয়ালেও চলাফেরা করতে সক্ষম।
কুরআনের প্রতিটি আয়াত-ই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত।  এই ২/৩টি আয়াত রিসার্চ করে যদি বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন সাধিত করা যায় তাহলে বিশ্ব মানবতার কল্যাণে পুরা কুরআন কতটা ভুমিকা রাখতে পারে???
এই কাজগুলোই আ’মলে সালেহ বা নেককর্ম যা কিয়ামত পর্যন্ত জারী থাকবে এবং দেশ সমাজ, জাতি ও বিশ্ববাসী উপকৃত হবে। সুরা আসরের ব্যাখ্যায় এমনটি বলা হয়েছে।
আমরা ব্যস্ত আছি দল্লিন/জল্লিন, তারাবীহ ১২/৮ রাকাত, টিস্যু/ঢিলা, টুপির আকার, রুমালের কালার আর ঘড়ি ডান/ বাম হাতে বাধতে হবে তাই নিয়ে।
ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম , গবেষক ও কলামিস্ট, সিলেট।  dr.1979sharif@gmail.com