ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় চাই ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস নাসিরনগরে বিজ্ঞান, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে হবে ল্যান্ড ফিল্ড, যেখানে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে – স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী রূপগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান- দীপু ভূইয়া, সংসদ সদস্য, নারায়নগঞ্জ ০১,(রূপগঞ্জ)। একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং আমাদের জীবন, জীবিকা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত – সাইফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জে মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষার মান উন্নয়নের তার ভূমিকা থাকবে আন্তরিক – মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, মাননীয় সংসদ সদস্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বঞ্চনা— আর কত অপেক্ষা? “তবু তোমাকেই ভালোবেসেছি”

ভারতের বিমান ধ্বংসের কথা মানলেন সিডিএস

  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫ ৬৮১ বার পড়া হয়েছে

নয়াদিল্লি, ১লা জুন, ২০২৫: দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান স্বীকার করেছেন যে, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বালাকোট বিমান হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত আকাশযুদ্ধে পাকিস্তান ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল। যদিও তিনি নির্দিষ্ট করে জানাননি যে ঠিক কতগুলি বিমান ধ্বংস হয়েছিল, তবে এই স্বীকারোক্তি ভারতীয় সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।
২০১৯ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের বালাকোটে জইশ-ই-মুহাম্মদের সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালানোর একদিন পর, ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানগুলো কাশ্মীরের আকাশে মুখোমুখি হয়েছিল। ওই সময় পাকিস্তান দাবি করেছিল যে তারা দুটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপতিত করেছে এবং একজন ভারতীয় পাইলটকে আটক করেছে। ভারত প্রাথমিকভাবে এই দাবি অস্বীকার করে একটি পাকিস্তানি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ভূপতিত করার পাল্টা দাবি করেছিল।
জেনারেল চৌহানের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলাতে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। তার এই স্বীকারোক্তিকে transparency-র একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপনে সহায়ক হতে পারে। তবে, ঠিক কতগুলি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছিল, সেই সংখ্যা স্পষ্ট না করায় এখনও কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে।
এই বিষয়ে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে, জেনারেল চৌহানের এই স্বীকারোক্তি নিঃসন্দেহে দুই দেশের সামরিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
technical
ট্যাগস :

ভারতের বিমান ধ্বংসের কথা মানলেন সিডিএস

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

নয়াদিল্লি, ১লা জুন, ২০২৫: দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতের চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান স্বীকার করেছেন যে, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বালাকোট বিমান হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত আকাশযুদ্ধে পাকিস্তান ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছিল। যদিও তিনি নির্দিষ্ট করে জানাননি যে ঠিক কতগুলি বিমান ধ্বংস হয়েছিল, তবে এই স্বীকারোক্তি ভারতীয় সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।
২০১৯ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের বালাকোটে জইশ-ই-মুহাম্মদের সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালানোর একদিন পর, ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানগুলো কাশ্মীরের আকাশে মুখোমুখি হয়েছিল। ওই সময় পাকিস্তান দাবি করেছিল যে তারা দুটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপতিত করেছে এবং একজন ভারতীয় পাইলটকে আটক করেছে। ভারত প্রাথমিকভাবে এই দাবি অস্বীকার করে একটি পাকিস্তানি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ভূপতিত করার পাল্টা দাবি করেছিল।
জেনারেল চৌহানের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলাতে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। তার এই স্বীকারোক্তিকে transparency-র একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপনে সহায়ক হতে পারে। তবে, ঠিক কতগুলি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছিল, সেই সংখ্যা স্পষ্ট না করায় এখনও কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে।
এই বিষয়ে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে, জেনারেল চৌহানের এই স্বীকারোক্তি নিঃসন্দেহে দুই দেশের সামরিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হবে।