ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ও প্রবাসীদের ঘুমহীন রাত: স্বদেশচেতনা, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নাসিরনগরে কৃষি কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে যুবক আটক বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিতকরণে অনার্স কোর্সে উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষক নিয়োগ একান্ত জরুরি।  সাংসদ এম এ হান্নান-কে এক গণসংবর্ধনা প্রদান মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরনে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়  ‘প্রতিষ্ঠান প্রধান  নিয়োগ’ একান্তই জরুরি। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি অন্তত চারজন খেলোয়াড়ের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। খুলনা দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসায়  যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ পালিত । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! খন্ড খন্ডভাবে নয়; একযোগে  ‘শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ’ চাই  আ’মলের তাৎপর্য (৪) প্রধানমন্ত্রীর ৫ বছরে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করলো পাকিস্তান

  • আপডেট সময় : ০৯:০৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫ ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

লাহোর, ২রা জুন, ২০২৫: তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তানকে রেকর্ড গড়ে ধবলধোলাইয়ের তেতো স্বাদ দিলো বাংলাদেশ। গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোয়ালো লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন টাইগাররা। এই হারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজ হারের পর টানা পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে পরাজয়ের মুখ দেখল বাংলাদেশ দল।
রবিবার (১লা জুন) লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন এবং তানজিদ হাসান তামিম ১১০ রানের দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটি গড়েন। পারভেজ ইমন ৩৪ বলে ৬৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিল। তানজিদ তামিমও ফিফটি হাঁকান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ, যা টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ২০১২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে করা ১৭৫ রান।
তবে, বিশাল এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হারিস একাই ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন। ৪৬ বলে ১০৭ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি, যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। তার এই সেঞ্চুরিতে ভর করে পাকিস্তান মাত্র ১৬ বল হাতে রেখেই ১৯৭ রানের লক্ষ্য টপকে যায়। হারিসের সাথে সাইম আইয়ুবের ৪৫ রান এবং মোহাম্মদ নওয়াজের ২৬ রানও পাকিস্তানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেও পাকিস্তান দুর্দান্ত পারফর্ম করে। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান ২০১ রান করে ৩৭ রানে জয় লাভ করে। দ্বিতীয় ম্যাচেও ২০১ রান করে ৫৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে ধারাবাহিকতার অভাব এবং বোলারদের দুর্বল পারফরম্যান্স পুরো সিরিজ জুড়েই চোখে পড়েছে।
এই ধবলধোলাই বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যে চরম হতাশা সৃষ্টি করেছে। দলের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তা দেখার বিষয়। সিরিজসেরা নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হারিস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
technical
ট্যাগস :

বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করলো পাকিস্তান

আপডেট সময় : ০৯:০৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

লাহোর, ২রা জুন, ২০২৫: তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তানকে রেকর্ড গড়ে ধবলধোলাইয়ের তেতো স্বাদ দিলো বাংলাদেশ। গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোয়ালো লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন টাইগাররা। এই হারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজ হারের পর টানা পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে পরাজয়ের মুখ দেখল বাংলাদেশ দল।
রবিবার (১লা জুন) লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন এবং তানজিদ হাসান তামিম ১১০ রানের দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটি গড়েন। পারভেজ ইমন ৩৪ বলে ৬৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিল। তানজিদ তামিমও ফিফটি হাঁকান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ, যা টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ২০১২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে করা ১৭৫ রান।
তবে, বিশাল এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হারিস একাই ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন। ৪৬ বলে ১০৭ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি, যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। তার এই সেঞ্চুরিতে ভর করে পাকিস্তান মাত্র ১৬ বল হাতে রেখেই ১৯৭ রানের লক্ষ্য টপকে যায়। হারিসের সাথে সাইম আইয়ুবের ৪৫ রান এবং মোহাম্মদ নওয়াজের ২৬ রানও পাকিস্তানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেও পাকিস্তান দুর্দান্ত পারফর্ম করে। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান ২০১ রান করে ৩৭ রানে জয় লাভ করে। দ্বিতীয় ম্যাচেও ২০১ রান করে ৫৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে ধারাবাহিকতার অভাব এবং বোলারদের দুর্বল পারফরম্যান্স পুরো সিরিজ জুড়েই চোখে পড়েছে।
এই ধবলধোলাই বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যে চরম হতাশা সৃষ্টি করেছে। দলের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তা দেখার বিষয়। সিরিজসেরা নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হারিস।