ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় চাই ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস নাসিরনগরে বিজ্ঞান, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে হবে ল্যান্ড ফিল্ড, যেখানে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে – স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী রূপগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান- দীপু ভূইয়া, সংসদ সদস্য, নারায়নগঞ্জ ০১,(রূপগঞ্জ)। একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং আমাদের জীবন, জীবিকা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত – সাইফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জে মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষার মান উন্নয়নের তার ভূমিকা থাকবে আন্তরিক – মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, মাননীয় সংসদ সদস্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বঞ্চনা— আর কত অপেক্ষা? “তবু তোমাকেই ভালোবেসেছি”

বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করলো পাকিস্তান

  • আপডেট সময় : ০৯:০৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫ ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

লাহোর, ২রা জুন, ২০২৫: তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তানকে রেকর্ড গড়ে ধবলধোলাইয়ের তেতো স্বাদ দিলো বাংলাদেশ। গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোয়ালো লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন টাইগাররা। এই হারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজ হারের পর টানা পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে পরাজয়ের মুখ দেখল বাংলাদেশ দল।
রবিবার (১লা জুন) লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন এবং তানজিদ হাসান তামিম ১১০ রানের দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটি গড়েন। পারভেজ ইমন ৩৪ বলে ৬৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিল। তানজিদ তামিমও ফিফটি হাঁকান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ, যা টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ২০১২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে করা ১৭৫ রান।
তবে, বিশাল এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হারিস একাই ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন। ৪৬ বলে ১০৭ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি, যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। তার এই সেঞ্চুরিতে ভর করে পাকিস্তান মাত্র ১৬ বল হাতে রেখেই ১৯৭ রানের লক্ষ্য টপকে যায়। হারিসের সাথে সাইম আইয়ুবের ৪৫ রান এবং মোহাম্মদ নওয়াজের ২৬ রানও পাকিস্তানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেও পাকিস্তান দুর্দান্ত পারফর্ম করে। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান ২০১ রান করে ৩৭ রানে জয় লাভ করে। দ্বিতীয় ম্যাচেও ২০১ রান করে ৫৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে ধারাবাহিকতার অভাব এবং বোলারদের দুর্বল পারফরম্যান্স পুরো সিরিজ জুড়েই চোখে পড়েছে।
এই ধবলধোলাই বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যে চরম হতাশা সৃষ্টি করেছে। দলের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তা দেখার বিষয়। সিরিজসেরা নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হারিস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
technical
ট্যাগস :

বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করলো পাকিস্তান

আপডেট সময় : ০৯:০৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

লাহোর, ২রা জুন, ২০২৫: তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তানকে রেকর্ড গড়ে ধবলধোলাইয়ের তেতো স্বাদ দিলো বাংলাদেশ। গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোয়ালো লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন টাইগাররা। এই হারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে সিরিজ হারের পর টানা পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে পরাজয়ের মুখ দেখল বাংলাদেশ দল।
রবিবার (১লা জুন) লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন এবং তানজিদ হাসান তামিম ১১০ রানের দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটি গড়েন। পারভেজ ইমন ৩৪ বলে ৬৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিল। তানজিদ তামিমও ফিফটি হাঁকান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ, যা টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল ২০১২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে করা ১৭৫ রান।
তবে, বিশাল এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হারিস একাই ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন। ৪৬ বলে ১০৭ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি, যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। তার এই সেঞ্চুরিতে ভর করে পাকিস্তান মাত্র ১৬ বল হাতে রেখেই ১৯৭ রানের লক্ষ্য টপকে যায়। হারিসের সাথে সাইম আইয়ুবের ৪৫ রান এবং মোহাম্মদ নওয়াজের ২৬ রানও পাকিস্তানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেও পাকিস্তান দুর্দান্ত পারফর্ম করে। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান ২০১ রান করে ৩৭ রানে জয় লাভ করে। দ্বিতীয় ম্যাচেও ২০১ রান করে ৫৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে ধারাবাহিকতার অভাব এবং বোলারদের দুর্বল পারফরম্যান্স পুরো সিরিজ জুড়েই চোখে পড়েছে।
এই ধবলধোলাই বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যে চরম হতাশা সৃষ্টি করেছে। দলের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তা দেখার বিষয়। সিরিজসেরা নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হারিস।