ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
নাসিরনগর যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে হত্যা, ৮ মাসেও বিচার না পেয়ে মানববন্ধন প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন শিক্ষাক্রম, শিক্ষক, তদারকি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি পাঁচটি বিষয়কে জোর দিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার অরুয়াইলে পূবালী ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন। নাসিরনগরে ১৪২ পুজা মন্ডপের প্রতিনিধিদের সাথে সভা রূপগঞ্জ উপজেলা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা উন্নয়ন ও কল্যান সমিতির গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন শাখার কমিটি গঠন আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত খেলাধুলায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান –প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের দাঁতমন্ডল এরফানিয়া মাদ্রাসায় এমপি হান্নানকে সংবর্ধনা রূপগঞ্জকে এডুকেশন্যাল হাব তৈরি করা হবে – এমপি দিুপ ভূঁইয়া রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সচেতনতায় ক্যাম্পেইন

আগের কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ৭ শতাংশ কোটা রেখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি, বাতিল নারী কোটা।

মোঃ রেহান উদ্দীন
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫ ৮৭৮ বার পড়া হয়েছে

আগের কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ৭ শতাংশ কোটা রেখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি, বাতিল নারী কোটা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি করেছে সরকার। এতে আগের কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ৭ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। এছাড়া নারীদের জন্য কোটাও বাতিল করা হয়েছে।

একই সঙ্গে সংগীত এবং শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০ শতাংশ এবং অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য ৮০ শতাংশ পদ রাখা হয়েছে। এর আগের বিধিমালা অনুযায়ী- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নারীদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা ছিল। বাকি ৪০ শতাংশের মধ্যে ২০ শতাংশ পোষ্য এবং ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা ছিল।

নতুন এ বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৯৩ শতাংশ পদ মেধাভিত্তিক এবং ৭ শতাংশ কোটা রাখা হবে। ৭ শতাংশ কোটার মধ্যে ৫ শতাংশ পদ বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

এছাড়া ১ শতাংশ পদ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থী এবং ১ শতাংশ পদে শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হবে। তবে কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ বিধিমালা ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ নামে অভিহিত হবে। বিধিমালার অধীনে সরাসরি ও পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে।

বিধিমালার বিশেষ বিধান হিসেবে বলা হয়েছে, অন্য কোনো বিধি বা সরকারি সিদ্ধান্তে যা কিছুই উল্লেখ থাকুক না কেন, শিক্ষক নিয়োগ উপজেলা ও ক্ষেত্রবিশেষে থানাভিত্তিক হবে।

নতুন বিধিমালায় বলা হয়েছে, অবিলম্বে এ বিধিমালা কার্যকর হবে। আর ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ কার্যকর হওয়ার পর আগের বিধিমালা, অর্থাৎ ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ রহিত বলে বিবেচিত হবে।

চলতি সপ্তাহেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ১৩ হাজারের কিছু বেশি সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। এ পদগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আইনগত বাধাও নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

আগের কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ৭ শতাংশ কোটা রেখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি, বাতিল নারী কোটা।

আপডেট সময় : ০৬:২৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

আগের কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ৭ শতাংশ কোটা রেখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি, বাতিল নারী কোটা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি করেছে সরকার। এতে আগের কোটা পদ্ধতি বাতিল করে ৭ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। এছাড়া নারীদের জন্য কোটাও বাতিল করা হয়েছে।

একই সঙ্গে সংগীত এবং শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০ শতাংশ এবং অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য ৮০ শতাংশ পদ রাখা হয়েছে। এর আগের বিধিমালা অনুযায়ী- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নারীদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা ছিল। বাকি ৪০ শতাংশের মধ্যে ২০ শতাংশ পোষ্য এবং ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা ছিল।

নতুন এ বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৯৩ শতাংশ পদ মেধাভিত্তিক এবং ৭ শতাংশ কোটা রাখা হবে। ৭ শতাংশ কোটার মধ্যে ৫ শতাংশ পদ বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

এছাড়া ১ শতাংশ পদ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থী এবং ১ শতাংশ পদে শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হবে। তবে কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ বিধিমালা ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ নামে অভিহিত হবে। বিধিমালার অধীনে সরাসরি ও পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে।

বিধিমালার বিশেষ বিধান হিসেবে বলা হয়েছে, অন্য কোনো বিধি বা সরকারি সিদ্ধান্তে যা কিছুই উল্লেখ থাকুক না কেন, শিক্ষক নিয়োগ উপজেলা ও ক্ষেত্রবিশেষে থানাভিত্তিক হবে।

নতুন বিধিমালায় বলা হয়েছে, অবিলম্বে এ বিধিমালা কার্যকর হবে। আর ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ কার্যকর হওয়ার পর আগের বিধিমালা, অর্থাৎ ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’ রহিত বলে বিবেচিত হবে।

চলতি সপ্তাহেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ১৩ হাজারের কিছু বেশি সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। এ পদগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আইনগত বাধাও নেই।