ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
নাসিরনগর যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে হত্যা, ৮ মাসেও বিচার না পেয়ে মানববন্ধন প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন শিক্ষাক্রম, শিক্ষক, তদারকি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি পাঁচটি বিষয়কে জোর দিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার অরুয়াইলে পূবালী ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন। নাসিরনগরে ১৪২ পুজা মন্ডপের প্রতিনিধিদের সাথে সভা রূপগঞ্জ উপজেলা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা উন্নয়ন ও কল্যান সমিতির গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন শাখার কমিটি গঠন আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত খেলাধুলায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান –প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের দাঁতমন্ডল এরফানিয়া মাদ্রাসায় এমপি হান্নানকে সংবর্ধনা রূপগঞ্জকে এডুকেশন্যাল হাব তৈরি করা হবে – এমপি দিুপ ভূঁইয়া রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সচেতনতায় ক্যাম্পেইন

নাসিরনগর যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে হত্যা, ৮ মাসেও বিচার না পেয়ে মানববন্ধন

মোঃ আছমত আলী,
  • আপডেট সময় : ০২:২৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

নাসিরনগর যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে হত্যা, ৮ মাসেও বিচার না পেয়ে মানববন্ধন

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতাঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে যৌতুক না দেয়ায় সাদিয়া আক্তার মাহি হত্যার আট মাসেও বিচার না পাওয়ায় মানববন্ধন করেছে পরিবার ও এলাকাবাসী ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ১২ টায় নাসিরনগর উপজেলা সদরের শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিবার, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনগণ অংশ নেন।
পরিবার ও মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, তিনবছর পূর্বে নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের খান্দুরা গ্ৰামের আব্দুল করিম এর ছেলে আলী আহমদ এর সাথে বিয়ে হয় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার পিয়াইম গ্ৰামের দিয়ারিশ মিয়ার মেয়ে সাদিয়া আক্তার মাহির, বিয়ের পর থেকে-ই যৌতুক এর দাবিতে দীর্ঘদিন যাবত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতো তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত সাড়ে ১১টার খান্দুরা তার শশুর বাড়ি থেকে সাদিয়া আক্তার মাহির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ, পরিবারের অভিযোগ, শ্বাসরোধ করে মুখে বিষ ঢেলে তাকে হত্যা করা হয়। এ বিষয়ে গত (১ মার্চ ২০২৬) তারিখে নাসিরনগর থানায় তার স্বামী সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন মাহির বাবা দিয়ারিশ মিয়া। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হলেও মুল আসামিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এদিকে মামলার পুর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে ফাইনাল রিপোর্ট আদালতে প্রেরণ করেন নাসিরনগর থানার এস আই সুমন দাস, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে হত্যা নয় অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয় তার। এ রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেছে নিহতের পরিবার।
মানববন্ধনে নিহতের বাবা বলেন, আমার মেয়েকে তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আসছিল, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এরা সবাই মিলে আমার সরল সোজা মেয়েটাকে হত্যা করে,কিন্তু দুঃখের বিষয় আসামিদের গ্রেফতার করা হয়নি।
নিহতের বাবা আরোও বলেন, আসামিদের গ্রেফতার করার কথা বললে পুলিশ বলে সব মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা যায় না, আসামির টাকায় আমার সংসার চলে এমন মন্তব্য করেছেন এস আই সুমন দাস অভিযোগ করেন নিহতের বাবা দিয়ারিশ মিয়া।
অভিযোগের বিষয়ে নাসিরনগর থানার এস আই সুমন দাস বলেন, আসামির টাকায় সংসার চলে এমন মন্তব্য আমি করিনি, আর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যা এসেছে তা-ই লেখা হয়েছে, রিপোর্টে ভুল কিছু লেখা হয়নি।
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ পরিপূর্ণ তদন্ত করে এ রিপোর্ট দিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মধ্যে মার্ডারের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি এবং আসামির টাকায় পুলিশের পরিবার চলে এ অভিযোগটি অবাস্তব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

নাসিরনগর যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে হত্যা, ৮ মাসেও বিচার না পেয়ে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০২:২৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

নাসিরনগর যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে হত্যা, ৮ মাসেও বিচার না পেয়ে মানববন্ধন

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতাঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে যৌতুক না দেয়ায় সাদিয়া আক্তার মাহি হত্যার আট মাসেও বিচার না পাওয়ায় মানববন্ধন করেছে পরিবার ও এলাকাবাসী ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ১২ টায় নাসিরনগর উপজেলা সদরের শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিবার, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনগণ অংশ নেন।
পরিবার ও মামলার এজাহার সুত্রে জানা গেছে, তিনবছর পূর্বে নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের খান্দুরা গ্ৰামের আব্দুল করিম এর ছেলে আলী আহমদ এর সাথে বিয়ে হয় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার পিয়াইম গ্ৰামের দিয়ারিশ মিয়ার মেয়ে সাদিয়া আক্তার মাহির, বিয়ের পর থেকে-ই যৌতুক এর দাবিতে দীর্ঘদিন যাবত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতো তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত সাড়ে ১১টার খান্দুরা তার শশুর বাড়ি থেকে সাদিয়া আক্তার মাহির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ, পরিবারের অভিযোগ, শ্বাসরোধ করে মুখে বিষ ঢেলে তাকে হত্যা করা হয়। এ বিষয়ে গত (১ মার্চ ২০২৬) তারিখে নাসিরনগর থানায় তার স্বামী সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন মাহির বাবা দিয়ারিশ মিয়া। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হলেও মুল আসামিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এদিকে মামলার পুর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে ফাইনাল রিপোর্ট আদালতে প্রেরণ করেন নাসিরনগর থানার এস আই সুমন দাস, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে হত্যা নয় অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয় তার। এ রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেছে নিহতের পরিবার।
মানববন্ধনে নিহতের বাবা বলেন, আমার মেয়েকে তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আসছিল, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এরা সবাই মিলে আমার সরল সোজা মেয়েটাকে হত্যা করে,কিন্তু দুঃখের বিষয় আসামিদের গ্রেফতার করা হয়নি।
নিহতের বাবা আরোও বলেন, আসামিদের গ্রেফতার করার কথা বললে পুলিশ বলে সব মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা যায় না, আসামির টাকায় আমার সংসার চলে এমন মন্তব্য করেছেন এস আই সুমন দাস অভিযোগ করেন নিহতের বাবা দিয়ারিশ মিয়া।
অভিযোগের বিষয়ে নাসিরনগর থানার এস আই সুমন দাস বলেন, আসামির টাকায় সংসার চলে এমন মন্তব্য আমি করিনি, আর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যা এসেছে তা-ই লেখা হয়েছে, রিপোর্টে ভুল কিছু লেখা হয়নি।
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ পরিপূর্ণ তদন্ত করে এ রিপোর্ট দিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মধ্যে মার্ডারের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি এবং আসামির টাকায় পুলিশের পরিবার চলে এ অভিযোগটি অবাস্তব।