ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় চাই ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস নাসিরনগরে বিজ্ঞান, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে হবে ল্যান্ড ফিল্ড, যেখানে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে – স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী রূপগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান- দীপু ভূইয়া, সংসদ সদস্য, নারায়নগঞ্জ ০১,(রূপগঞ্জ)। একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং আমাদের জীবন, জীবিকা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত – সাইফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জে মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষার মান উন্নয়নের তার ভূমিকা থাকবে আন্তরিক – মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, মাননীয় সংসদ সদস্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বঞ্চনা— আর কত অপেক্ষা? “তবু তোমাকেই ভালোবেসেছি”

রাসূল (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নসিরনগরে তীব্র প্রতিবাদ।

মোঃ আছমত আলী,
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫ ৯১০ বার পড়া হয়েছে
মোঃ আছমত আলী, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ গ্রামে সৈয়দ ইমাম উদ্দিন শুভ নামের এক সাবেক বুয়েট শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তি করেছেন। এর ফলস্বরূপ, পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয় এবং স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদে ফেটে পড়েন।
সৈয়দ ইমাম উদ্দিন শুভ গোকর্ণ মধ্য-পাড়ার বাসিন্দা সৈয়দ সালাউদ্দিন মুকুল মিয়ার বড় ছেলে। সৈয়দ সালাউদ্দিন মুকুল মিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন, তবে ৫ আগস্টের গণ অভ্যুত্থানের পর তিনি এলাকায় তার বিচরণ কমিয়ে ফেলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুভ এবং তার বাবা পূর্বেও ধর্মীয় বিষয় নিয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
১৪ জুন ২০২৫, আসরের নামাজের পর গোকর্ণ গ্রামের নতুন বাজারে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি নতুন বাজার থেকে গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নতুন বাজারে এসে বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী এতে অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে বক্তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মত অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অনেকেই এ বিষয়ে কঠোর আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ধর্মীয় অনুভূতিকে অবমাননা করার সাহস না পায়। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

রাসূল (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নসিরনগরে তীব্র প্রতিবাদ।

আপডেট সময় : ০৩:৪১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
মোঃ আছমত আলী, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ গ্রামে সৈয়দ ইমাম উদ্দিন শুভ নামের এক সাবেক বুয়েট শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটুক্তি করেছেন। এর ফলস্বরূপ, পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয় এবং স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদে ফেটে পড়েন।
সৈয়দ ইমাম উদ্দিন শুভ গোকর্ণ মধ্য-পাড়ার বাসিন্দা সৈয়দ সালাউদ্দিন মুকুল মিয়ার বড় ছেলে। সৈয়দ সালাউদ্দিন মুকুল মিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন, তবে ৫ আগস্টের গণ অভ্যুত্থানের পর তিনি এলাকায় তার বিচরণ কমিয়ে ফেলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুভ এবং তার বাবা পূর্বেও ধর্মীয় বিষয় নিয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
১৪ জুন ২০২৫, আসরের নামাজের পর গোকর্ণ গ্রামের নতুন বাজারে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি নতুন বাজার থেকে গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নতুন বাজারে এসে বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী এতে অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে বক্তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মত অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অনেকেই এ বিষয়ে কঠোর আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে কেউ ধর্মীয় অনুভূতিকে অবমাননা করার সাহস না পায়। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা চলছে।