ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন শিক্ষাক্রম, শিক্ষক, তদারকি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি পাঁচটি বিষয়কে জোর দিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার অরুয়াইলে পূবালী ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন। নাসিরনগরে ১৪২ পুজা মন্ডপের প্রতিনিধিদের সাথে সভা রূপগঞ্জ উপজেলা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা উন্নয়ন ও কল্যান সমিতির গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন শাখার কমিটি গঠন আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত খেলাধুলায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান –প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের দাঁতমন্ডল এরফানিয়া মাদ্রাসায় এমপি হান্নানকে সংবর্ধনা রূপগঞ্জকে এডুকেশন্যাল হাব তৈরি করা হবে – এমপি দিুপ ভূঁইয়া রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সচেতনতায় ক্যাম্পেইন আবদুস সাত্তার ডিগ্রি কলেজের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের জুন মাসের এমপিও আবেদনের নতুন সময়সূচি

মোহাম্মদ গোলাম সাদেক
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫ ৫১০ বার পড়া হয়েছে

বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুন মাসের এমপিও আবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা পরিবর্তন করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মুহাম্মদ মাহবুবুল হকের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাদ্রাসা) শিক্ষক-কর্মচারীদের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী প্রতি মাসের ৪ তারিখের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওর অনলাইনে আবেদন সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হয়। এরপর ৮ তারিখের মধ্যে তা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মেমিস সেলে পাঠানো করার কথা।

তবে, এবার ঈদুল আজহার কারণে জুন মাসের আবেদনগুলো প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ১ থেকে ৪ জুন এর মধ্যে মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। আর উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের ১ থেকে ১০ জুন এর মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মেমিস সেলে সেগুলো পাঠাতে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) হলো সরকার স্বীকৃত বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য একটি বেতন-ভাতা দেওয়ার প্রচলিত ব্যবস্থা। এই পদ্ধতির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে মাসিক বেতন পান। আর মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও আবেদন একটি নির্ধারিত সফটওয়্যারের (মেমিস) মাধ্যমে করা হয়, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। প্রতি মাসেই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আবেদন করতে হয়। যদি নির্ধারিত মাসের এমপিও আবেদন যথাসময়ে না করা হয় তবে সেই মাসে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

মাদ্রাসা শিক্ষকদের জুন মাসের এমপিও আবেদনের নতুন সময়সূচি

আপডেট সময় : ০৭:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুন মাসের এমপিও আবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা পরিবর্তন করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মুহাম্মদ মাহবুবুল হকের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাদ্রাসা) শিক্ষক-কর্মচারীদের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী প্রতি মাসের ৪ তারিখের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওর অনলাইনে আবেদন সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হয়। এরপর ৮ তারিখের মধ্যে তা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মেমিস সেলে পাঠানো করার কথা।

তবে, এবার ঈদুল আজহার কারণে জুন মাসের আবেদনগুলো প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ১ থেকে ৪ জুন এর মধ্যে মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। আর উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের ১ থেকে ১০ জুন এর মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মেমিস সেলে সেগুলো পাঠাতে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) হলো সরকার স্বীকৃত বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য একটি বেতন-ভাতা দেওয়ার প্রচলিত ব্যবস্থা। এই পদ্ধতির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে মাসিক বেতন পান। আর মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও আবেদন একটি নির্ধারিত সফটওয়্যারের (মেমিস) মাধ্যমে করা হয়, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। প্রতি মাসেই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আবেদন করতে হয়। যদি নির্ধারিত মাসের এমপিও আবেদন যথাসময়ে না করা হয় তবে সেই মাসে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।