ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নপত্রে নেওয়া হবে শিশুদের মেধা বিকাশে সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ প্রথম বিদেশ সফর বিশ্বমানের ও যুগোপযোগী করে শিক্ষাব্যবস্থাকে গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ শেষে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাতে আর্থিক অনুদান প্রদান  তারাব পৌরসভার দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি (PRAP) এর আওতায় রিক্সা-ভ্যান ও ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত SAILOR খেলবে নারায়ণগঞ্জ ইন্টারস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ান রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল প্রি ক্যাডেট একাডেমি এন্ড মডেল হাই স্কুল। রূপগঞ্জকে আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলা হবে- মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু মেসির জাদুকরী এক হ্যাটট্রিক আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয় ৩–০ গোলে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরদের বেতন বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কমিটির নেই

মোঃ রেহান উদ্দীন
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫ ১০৮৯ বার পড়া হয়েছে

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরদের বেতন বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কমিটির নেই

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরদের বেতন বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কমিটির নেই—এমনকি শাস্তিমূলক সাময়িক বরখাস্ত হলেও খোরপোশ বন্ধ করা যাবে না। মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে গড়িমসি করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কমিটির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আব্দুল মান্নানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ছাড় করা হলেও কিছু প্রতিষ্ঠান অজুহাত দেখিয়ে তা যথাসময়ে প্রদান করছে না, যা বিধিবহির্ভূত। এমপিওভুক্তদের বেতন বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কমিটির নেই—এমনকি শাস্তিমূলক সাময়িক বরখাস্ত হলেও খোরপোশ বন্ধ করা যাবে না।

এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানপ্রধান অনুপস্থিত থাকলে সহ-সুপার, উপাধ্যক্ষ কিংবা জ্যেষ্ঠ শিক্ষক বেতন বিলে স্বাক্ষর করতে পারবেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে ইউএনও, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বা জেলা প্রশাসক প্রতিস্বাক্ষর করতে পারবেন।

তবে এসব ব্যবস্থার পরও যদি বেতন-ভাতা প্রদান বন্ধ রাখা হয়, তা হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত বা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল এবং কমিটির বিরুদ্ধে প্রবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে—যা অনেক প্রতিষ্ঠান মানছে না। প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই বিধান কঠোরভাবে মানার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরদের বেতন বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কমিটির নেই

আপডেট সময় : ০৩:৪৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরদের বেতন বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কমিটির নেই

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরদের বেতন বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কমিটির নেই—এমনকি শাস্তিমূলক সাময়িক বরখাস্ত হলেও খোরপোশ বন্ধ করা যাবে না। মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে গড়িমসি করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কমিটির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আব্দুল মান্নানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত ছাড় করা হলেও কিছু প্রতিষ্ঠান অজুহাত দেখিয়ে তা যথাসময়ে প্রদান করছে না, যা বিধিবহির্ভূত। এমপিওভুক্তদের বেতন বন্ধ করার কোনো এখতিয়ার প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কমিটির নেই—এমনকি শাস্তিমূলক সাময়িক বরখাস্ত হলেও খোরপোশ বন্ধ করা যাবে না।

এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানপ্রধান অনুপস্থিত থাকলে সহ-সুপার, উপাধ্যক্ষ কিংবা জ্যেষ্ঠ শিক্ষক বেতন বিলে স্বাক্ষর করতে পারবেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে ইউএনও, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বা জেলা প্রশাসক প্রতিস্বাক্ষর করতে পারবেন।

তবে এসব ব্যবস্থার পরও যদি বেতন-ভাতা প্রদান বন্ধ রাখা হয়, তা হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত বা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল এবং কমিটির বিরুদ্ধে প্রবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে—যা অনেক প্রতিষ্ঠান মানছে না। প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই বিধান কঠোরভাবে মানার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।