ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন শিক্ষাক্রম, শিক্ষক, তদারকি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি পাঁচটি বিষয়কে জোর দিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার অরুয়াইলে পূবালী ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন। নাসিরনগরে ১৪২ পুজা মন্ডপের প্রতিনিধিদের সাথে সভা রূপগঞ্জ উপজেলা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা উন্নয়ন ও কল্যান সমিতির গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন শাখার কমিটি গঠন আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত খেলাধুলায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান –প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের দাঁতমন্ডল এরফানিয়া মাদ্রাসায় এমপি হান্নানকে সংবর্ধনা রূপগঞ্জকে এডুকেশন্যাল হাব তৈরি করা হবে – এমপি দিুপ ভূঁইয়া রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সচেতনতায় ক্যাম্পেইন আবদুস সাত্তার ডিগ্রি কলেজের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন।

৭ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের মানববন্ধন:

এম. ইউছুফ
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫ ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

৭ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের মানববন্ধন:

ফ্যাসিবাদের দোসর শিক্ষকদের বহিষ্কার ও বিচার এবং চাকসু নির্বাচনসহ সাত দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছে ছাত্রশিবির। এ সময় ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার না করায় চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, তাদের (ফ্যাসিবাদের দোসর) নাম জানার জন্য ছাত্রশিবিরের অফিসে আসুন। এসে তাদের নামের ফাইল নিয়ে যান।
সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে মানববন্ধন করেন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।
এ সময় তারা ‘তোমার আমার অধিকার, চাকসু চাকসু’, ‘জুলাইয়ের প্রশাসন, দাও শতভাগ আবাসন’, ‘মাথার ওপর ছাতা দে, নয় আবাসন ভাতা দে’, ‘হল আবাসন সংস্কার, এই মুহূর্তে দরকার’, ‘ফ্যাসিবাদের বিচার চাই, দিতে হবে দিতে হবে’, ‘চতুর্দিকে স্বৈরাচার, কবে হবে বহিষ্কার’সহ নানা স্লোগান দেন।
মানববন্ধনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিল, ফ্যাসিবাদের দোসর সেই শিক্ষকরা এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। তাদের বহিষ্কার না করে উলটো পদোন্নতি দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আওয়ামী স্বৈরাচারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যাদের অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছে, বারবার দাবি জানানোর পরও তাদের বহিষ্কার করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ভিসি স্যার নাকি ফ্যাসিবাদের দোসরদের নাম খুঁজে পান না। ভিসি স্যারকে বলতে চাই, তাদের নাম জানার জন্য ছাত্রশিবিরের অফিসে আসুন। এসে তাদের নামের ফাইল নিয়ে যান। ফ্যাসিবাদের দোসরদের নিয়ে এই প্রশাসন চলতে পারবে না।’
চবির সেক্রেটারি পারভেজ আহমেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের সব সুযোগ-সুবিধা থাকলে, শিক্ষার্থীদের থাকবে না কেন? শিক্ষার্থীদের শতভাগ আবাসন প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে। বারবার দাবি জানানোর পরও চাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হচ্ছে না কেন? আমাদের সাত দফা দাবি মেনে নিতে হবে। অন্যথায় আমরা কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেব।’
চবি ভিসিকে কুয়েট ভিসি’র পরিণতি থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই প্রশাসন কিছুদিন আগে এক সন্ত্রাসীকে (শিক্ষক কুশল বরণ চক্রবর্তী) প্রমোশন দেওয়ার জন্য বোর্ড বসিয়েছিল। আমরা ছাত্রদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছি। এখন শোনা যাচ্ছে, ফ্যাসিবাদের আরও কয়েকজন দোসরকে পদোন্নতি দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। আমরা বলতে চাই, কুয়েটের ভিসির থেকে শিক্ষা নিন।’
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন চবি শিবিরের দফতর সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদ, বায়তুল মাল সম্পাদক হাসান মুজাহিদ, সাহিত্য সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব, শিক্ষা সম্পাদক মোনায়েম শরীফ, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সভাপতি রবিউল ইসলাম বক্তব্য দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

৭ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের মানববন্ধন:

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

৭ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের মানববন্ধন:

ফ্যাসিবাদের দোসর শিক্ষকদের বহিষ্কার ও বিচার এবং চাকসু নির্বাচনসহ সাত দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছে ছাত্রশিবির। এ সময় ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার না করায় চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, তাদের (ফ্যাসিবাদের দোসর) নাম জানার জন্য ছাত্রশিবিরের অফিসে আসুন। এসে তাদের নামের ফাইল নিয়ে যান।
সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে মানববন্ধন করেন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।
এ সময় তারা ‘তোমার আমার অধিকার, চাকসু চাকসু’, ‘জুলাইয়ের প্রশাসন, দাও শতভাগ আবাসন’, ‘মাথার ওপর ছাতা দে, নয় আবাসন ভাতা দে’, ‘হল আবাসন সংস্কার, এই মুহূর্তে দরকার’, ‘ফ্যাসিবাদের বিচার চাই, দিতে হবে দিতে হবে’, ‘চতুর্দিকে স্বৈরাচার, কবে হবে বহিষ্কার’সহ নানা স্লোগান দেন।
মানববন্ধনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিল, ফ্যাসিবাদের দোসর সেই শিক্ষকরা এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। তাদের বহিষ্কার না করে উলটো পদোন্নতি দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আওয়ামী স্বৈরাচারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যাদের অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছে, বারবার দাবি জানানোর পরও তাদের বহিষ্কার করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ভিসি স্যার নাকি ফ্যাসিবাদের দোসরদের নাম খুঁজে পান না। ভিসি স্যারকে বলতে চাই, তাদের নাম জানার জন্য ছাত্রশিবিরের অফিসে আসুন। এসে তাদের নামের ফাইল নিয়ে যান। ফ্যাসিবাদের দোসরদের নিয়ে এই প্রশাসন চলতে পারবে না।’
চবির সেক্রেটারি পারভেজ আহমেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের সব সুযোগ-সুবিধা থাকলে, শিক্ষার্থীদের থাকবে না কেন? শিক্ষার্থীদের শতভাগ আবাসন প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে। বারবার দাবি জানানোর পরও চাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হচ্ছে না কেন? আমাদের সাত দফা দাবি মেনে নিতে হবে। অন্যথায় আমরা কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেব।’
চবি ভিসিকে কুয়েট ভিসি’র পরিণতি থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই প্রশাসন কিছুদিন আগে এক সন্ত্রাসীকে (শিক্ষক কুশল বরণ চক্রবর্তী) প্রমোশন দেওয়ার জন্য বোর্ড বসিয়েছিল। আমরা ছাত্রদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছি। এখন শোনা যাচ্ছে, ফ্যাসিবাদের আরও কয়েকজন দোসরকে পদোন্নতি দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। আমরা বলতে চাই, কুয়েটের ভিসির থেকে শিক্ষা নিন।’
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন চবি শিবিরের দফতর সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদ, বায়তুল মাল সম্পাদক হাসান মুজাহিদ, সাহিত্য সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব, শিক্ষা সম্পাদক মোনায়েম শরীফ, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সভাপতি রবিউল ইসলাম বক্তব্য দেন।