ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
আমি রুপগঞ্জবাসীর জন্য কাজ করে যাবো,আল্লাহ ছাড়া আমি কাউকে ভয় পাই না. -দিপু ভুইয়া..সংসদ সদস্য,নাঃগঞ্জ-১ বাড়তি নিরাপত্তা ও কঠোর নজরদারিতে আজ সারা দেশে একযোগে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু। নাসিরনগরে জরুরী হাম-রুমেলা ক্যাম্পেইন উদ্বোধন। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভালো মানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেন – মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু ব্রাহ্মণ বাড়িয়ায় কৃষি  প্রণোদনা পেল ২৪৫০ জন কৃষক গোলাকান্দাইল প্রি ক্যাডেট একাডেমি এন্ড মডেল হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রূপগঞ্জে একই বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি নাসিরনগরে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে এম পি কে সংবর্ধনা 

চট্টগ্রামে ডিআইজি অফিসের সামনে এনসিপি-বৈষম্যবিরোধীদের বিক্ষোভ:

মোহাম্মদ ইউছুফ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫ ৭৫৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামে ডিআইজি অফিসের সামনে এনসিপি-বৈষম্যবিরোধীদের বিক্ষোভ:

চট্টগ্রামে পটিয়ার ঘটনার রেশ ধরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সেকেন্ড অফিসারের অপসারণের দাবি নিয়ে ডিআইজি কার্যালয়ের বাইরে খুলশী জাকির হোসেন রোড অবরোধ করেন। এতে একেখান-জিইসিমুখী শতশত গাড়ি আটকা পড়েছে খুলশী থানার সম্মুখে। বন্ধ রয়েছে জিইসি থেকে ঢাকামুখী যান চলাচল। হঠাৎ এমন কর্মসূচিতে কর্মজীবী মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
বুধবার (২ জুলাই) বিকেল ৩টায় নগরীর খুলশী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন এনসিপি ও বৈষমবিরোধী আন্দোলনের নেতারা। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে তারা এসেছেন।
এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের দাবি, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে তারা এসেছেন।
উল্লেখ্য যে, গতকাল মঙ্গলবার রাতে পটিয়ায় ছাত্রলীগের এক নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করতে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। তাকে গ্রেপ্তার না করে উল্টো এ সময় পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
এর সুত্র ধরে আজ সকাল সাড়ে নয়টা থেকে পটিয়া থানার মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, তাঁদের ওপর পুলিশ দুই দফা হামলা করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। এ সময় পটিয়া থানা পুলিশ ও চট্টগ্রাম নগরীর পুলিশের স্পেশাল ফোর্স এসে ছাত্রদের ব্যাপক লাঠিপেটা করে এবং ধাওয়া দেয়। এসময় কমপক্ষে ২৫ জন ছাত্র আহত হয়। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ছাত্ররা দিকবিদিক পালিয়ে যায়। ছাত্রদের ধাওয়া করে ডাকবাংলো নিয়ে যায়। পর তাঁরা চট্টগ্রাম কক্সবাজার সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

চট্টগ্রামে ডিআইজি অফিসের সামনে এনসিপি-বৈষম্যবিরোধীদের বিক্ষোভ:

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

চট্টগ্রামে ডিআইজি অফিসের সামনে এনসিপি-বৈষম্যবিরোধীদের বিক্ষোভ:

চট্টগ্রামে পটিয়ার ঘটনার রেশ ধরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সেকেন্ড অফিসারের অপসারণের দাবি নিয়ে ডিআইজি কার্যালয়ের বাইরে খুলশী জাকির হোসেন রোড অবরোধ করেন। এতে একেখান-জিইসিমুখী শতশত গাড়ি আটকা পড়েছে খুলশী থানার সম্মুখে। বন্ধ রয়েছে জিইসি থেকে ঢাকামুখী যান চলাচল। হঠাৎ এমন কর্মসূচিতে কর্মজীবী মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
বুধবার (২ জুলাই) বিকেল ৩টায় নগরীর খুলশী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন এনসিপি ও বৈষমবিরোধী আন্দোলনের নেতারা। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে তারা এসেছেন।
এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের দাবি, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে তারা এসেছেন।
উল্লেখ্য যে, গতকাল মঙ্গলবার রাতে পটিয়ায় ছাত্রলীগের এক নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করতে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। তাকে গ্রেপ্তার না করে উল্টো এ সময় পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
এর সুত্র ধরে আজ সকাল সাড়ে নয়টা থেকে পটিয়া থানার মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, তাঁদের ওপর পুলিশ দুই দফা হামলা করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। এ সময় পটিয়া থানা পুলিশ ও চট্টগ্রাম নগরীর পুলিশের স্পেশাল ফোর্স এসে ছাত্রদের ব্যাপক লাঠিপেটা করে এবং ধাওয়া দেয়। এসময় কমপক্ষে ২৫ জন ছাত্র আহত হয়। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ছাত্ররা দিকবিদিক পালিয়ে যায়। ছাত্রদের ধাওয়া করে ডাকবাংলো নিয়ে যায়। পর তাঁরা চট্টগ্রাম কক্সবাজার সড়ক অবরোধ করে রাখেন।