ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
আমি রুপগঞ্জবাসীর জন্য কাজ করে যাবো,আল্লাহ ছাড়া আমি কাউকে ভয় পাই না. -দিপু ভুইয়া..সংসদ সদস্য,নাঃগঞ্জ-১ বাড়তি নিরাপত্তা ও কঠোর নজরদারিতে আজ সারা দেশে একযোগে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু। নাসিরনগরে জরুরী হাম-রুমেলা ক্যাম্পেইন উদ্বোধন। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভালো মানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেন – মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু ব্রাহ্মণ বাড়িয়ায় কৃষি  প্রণোদনা পেল ২৪৫০ জন কৃষক গোলাকান্দাইল প্রি ক্যাডেট একাডেমি এন্ড মডেল হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রূপগঞ্জে একই বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি নাসিরনগরে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে এম পি কে সংবর্ধনা 

মাদ্রাসা শিক্ষকদের জুন মাসের এমপিও আবেদনের নতুন সময়সূচি

মোহাম্মদ গোলাম সাদেক
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫ ৪০৯ বার পড়া হয়েছে

বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুন মাসের এমপিও আবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা পরিবর্তন করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মুহাম্মদ মাহবুবুল হকের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাদ্রাসা) শিক্ষক-কর্মচারীদের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী প্রতি মাসের ৪ তারিখের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওর অনলাইনে আবেদন সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হয়। এরপর ৮ তারিখের মধ্যে তা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মেমিস সেলে পাঠানো করার কথা।

তবে, এবার ঈদুল আজহার কারণে জুন মাসের আবেদনগুলো প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ১ থেকে ৪ জুন এর মধ্যে মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। আর উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের ১ থেকে ১০ জুন এর মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মেমিস সেলে সেগুলো পাঠাতে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) হলো সরকার স্বীকৃত বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য একটি বেতন-ভাতা দেওয়ার প্রচলিত ব্যবস্থা। এই পদ্ধতির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে মাসিক বেতন পান। আর মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও আবেদন একটি নির্ধারিত সফটওয়্যারের (মেমিস) মাধ্যমে করা হয়, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। প্রতি মাসেই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আবেদন করতে হয়। যদি নির্ধারিত মাসের এমপিও আবেদন যথাসময়ে না করা হয় তবে সেই মাসে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

মাদ্রাসা শিক্ষকদের জুন মাসের এমপিও আবেদনের নতুন সময়সূচি

আপডেট সময় : ০৭:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুন মাসের এমপিও আবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা পরিবর্তন করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মুহাম্মদ মাহবুবুল হকের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (মাদ্রাসা) শিক্ষক-কর্মচারীদের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী প্রতি মাসের ৪ তারিখের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওর অনলাইনে আবেদন সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হয়। এরপর ৮ তারিখের মধ্যে তা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মেমিস সেলে পাঠানো করার কথা।

তবে, এবার ঈদুল আজহার কারণে জুন মাসের আবেদনগুলো প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ১ থেকে ৪ জুন এর মধ্যে মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। আর উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের ১ থেকে ১০ জুন এর মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মেমিস সেলে সেগুলো পাঠাতে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) হলো সরকার স্বীকৃত বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য একটি বেতন-ভাতা দেওয়ার প্রচলিত ব্যবস্থা। এই পদ্ধতির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে মাসিক বেতন পান। আর মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও আবেদন একটি নির্ধারিত সফটওয়্যারের (মেমিস) মাধ্যমে করা হয়, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। প্রতি মাসেই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আবেদন করতে হয়। যদি নির্ধারিত মাসের এমপিও আবেদন যথাসময়ে না করা হয় তবে সেই মাসে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।