ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় চাই ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস নাসিরনগরে বিজ্ঞান, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে হবে ল্যান্ড ফিল্ড, যেখানে ময়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে – স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী রূপগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান- দীপু ভূইয়া, সংসদ সদস্য, নারায়নগঞ্জ ০১,(রূপগঞ্জ)। একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং আমাদের জীবন, জীবিকা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত – সাইফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জে মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষার মান উন্নয়নের তার ভূমিকা থাকবে আন্তরিক – মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, মাননীয় সংসদ সদস্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বঞ্চনা— আর কত অপেক্ষা? “তবু তোমাকেই ভালোবেসেছি”

ICT Lecturer সংকট: উত্তরনের উপায়

  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫ ৩৪২ বার পড়া হয়েছে

২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে HSC তে ICT পরীক্ষা হয়নি। আবার ২০২৩ সালের পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হয়েছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে জানা গেছে অনেক কলেজে ICT Lecturer এর পদ শূণ্য। বিষয়টি আবশ্যিক অথচ পরীক্ষা হচ্ছে না, এমন চলতে থাকলে একটি জেনারেশন এর মধ্যে তথ্য-প্রযুক্তিগত জ্ঞানের গ্যাপ দেখা দিবে বলে শংকিত শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মহল।

 

৮ম শিক্ষক নিবন্ধন পর্যন্ত ICT Lecturer এর শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিলো ৩ ক্যাটাগরির। (ক) CSE তে কমপক্ষে ৪ বছরের অনার্স ও নিবন্ধন সনদ (খ) M.Sc +৬ মাসের প্রশিক্ষণ সনদসহ নিবন্ধন ও (৩) যে কোন বিষয়ে মাস্টার্স+ ৬ মাসের প্রশিক্ষণ সনদসহ নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধন থেকে যুগের চাহিদা ও মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সরকার শুধুমাত্র CSE ধারীদের যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করেছে। এটি একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

 

কিন্তু CSE ধারী শিক্ষকবৃন্দ কেউ কেউ এ পেশায় আসতে চান না। HSTTI কুমিল্লাতে ২৭ দিনের প্রশিক্ষনে গিয়ে ২০ জনের মধ্যে ২ জন CSEধারী পেয়েছিলাম। আবার ঢাকা BANBEIS এ ১৫ দিনের প্রশিক্ষনে গিয়ে ২১ জনের মধ্যে ১ জন CSEতে ডিপ্লোমাধারী পেয়েছিলাম। বোর্ডের বিভিন্ন গুরুত্তপূর্ণ কাজে গিয়েও বিষয়টি আমি লক্ষ্য করেছি। কেউবা মাদ্রাসায় যেতে অনিচ্ছুক। কেউবা গ্রামের কলেজে যেতে অনীহা। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নেওয়ার জন্য অনেক খন্ডকালীন শিক্ষক রয়েছেন সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের। কোন কোন মাদ্রাসায় তো অফিস সহকারীও উক্ত ক্লাস নেন। তাহলে দেখা যাচ্ছে সুবিধা করতে গিয়ে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। যা কখনো কাম্য নয়।

 

৩য় ক্যাটাগরির অনেক শিক্ষককে দেখেছি যারা অনেক পরিশ্রম করে নিজেকে তৈরি করেছেন। ব্যবহারিক ও তাত্তিক জ্ঞান বেশ ভাল, ক্লাস কন্ট্রোল, কঠিন বিষয় সহজভাবে উপস্থাপনে বেশ দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। অনেকে মাস্টার ট্রেইনার ও প্রশ্নকর্তা হয়েছেন। আসলে কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা অনেকেরই আছে কিন্তু যোগ্য শিক্ষক হাতে গোনা।

 

গ্রামের কলেজ, মাদ্রাসা ও স্কুল এন্ড কলেজে যদি ৩য় ক্যাটাগরির শিক্ষক সুযোগ পান তিনি তার অবস্থানে মোটামুটি সন্তষ্ট থাকবেন। যে কোন বিষয়ের শিক্ষকের নিবন্ধনের সুযোগ দিলে পাশ করবে এমন সংখ্যা খুবই সামান্য। তবুও তো ‘নেই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো”। বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি নিয়ে চিন্তা ভাবনা ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন একান্তই জরুরী।

———————————

ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম

গবেষক ও কলামিস্ট, সিলেট।

dr.1979sharif@gmail.com

Mob: 01711 06 89 70

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
superadmin
ট্যাগস :

ICT Lecturer সংকট: উত্তরনের উপায়

আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে HSC তে ICT পরীক্ষা হয়নি। আবার ২০২৩ সালের পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হয়েছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে জানা গেছে অনেক কলেজে ICT Lecturer এর পদ শূণ্য। বিষয়টি আবশ্যিক অথচ পরীক্ষা হচ্ছে না, এমন চলতে থাকলে একটি জেনারেশন এর মধ্যে তথ্য-প্রযুক্তিগত জ্ঞানের গ্যাপ দেখা দিবে বলে শংকিত শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মহল।

 

৮ম শিক্ষক নিবন্ধন পর্যন্ত ICT Lecturer এর শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিলো ৩ ক্যাটাগরির। (ক) CSE তে কমপক্ষে ৪ বছরের অনার্স ও নিবন্ধন সনদ (খ) M.Sc +৬ মাসের প্রশিক্ষণ সনদসহ নিবন্ধন ও (৩) যে কোন বিষয়ে মাস্টার্স+ ৬ মাসের প্রশিক্ষণ সনদসহ নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধন থেকে যুগের চাহিদা ও মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সরকার শুধুমাত্র CSE ধারীদের যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করেছে। এটি একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।

 

কিন্তু CSE ধারী শিক্ষকবৃন্দ কেউ কেউ এ পেশায় আসতে চান না। HSTTI কুমিল্লাতে ২৭ দিনের প্রশিক্ষনে গিয়ে ২০ জনের মধ্যে ২ জন CSEধারী পেয়েছিলাম। আবার ঢাকা BANBEIS এ ১৫ দিনের প্রশিক্ষনে গিয়ে ২১ জনের মধ্যে ১ জন CSEতে ডিপ্লোমাধারী পেয়েছিলাম। বোর্ডের বিভিন্ন গুরুত্তপূর্ণ কাজে গিয়েও বিষয়টি আমি লক্ষ্য করেছি। কেউবা মাদ্রাসায় যেতে অনিচ্ছুক। কেউবা গ্রামের কলেজে যেতে অনীহা। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নেওয়ার জন্য অনেক খন্ডকালীন শিক্ষক রয়েছেন সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের। কোন কোন মাদ্রাসায় তো অফিস সহকারীও উক্ত ক্লাস নেন। তাহলে দেখা যাচ্ছে সুবিধা করতে গিয়ে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। যা কখনো কাম্য নয়।

 

৩য় ক্যাটাগরির অনেক শিক্ষককে দেখেছি যারা অনেক পরিশ্রম করে নিজেকে তৈরি করেছেন। ব্যবহারিক ও তাত্তিক জ্ঞান বেশ ভাল, ক্লাস কন্ট্রোল, কঠিন বিষয় সহজভাবে উপস্থাপনে বেশ দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। অনেকে মাস্টার ট্রেইনার ও প্রশ্নকর্তা হয়েছেন। আসলে কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা অনেকেরই আছে কিন্তু যোগ্য শিক্ষক হাতে গোনা।

 

গ্রামের কলেজ, মাদ্রাসা ও স্কুল এন্ড কলেজে যদি ৩য় ক্যাটাগরির শিক্ষক সুযোগ পান তিনি তার অবস্থানে মোটামুটি সন্তষ্ট থাকবেন। যে কোন বিষয়ের শিক্ষকের নিবন্ধনের সুযোগ দিলে পাশ করবে এমন সংখ্যা খুবই সামান্য। তবুও তো ‘নেই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো”। বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি নিয়ে চিন্তা ভাবনা ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন একান্তই জরুরী।

———————————

ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম

গবেষক ও কলামিস্ট, সিলেট।

dr.1979sharif@gmail.com

Mob: 01711 06 89 70